
মোশাররফ রুবেল, অ্যাপ ডেভেলপার অতিথি লেখক : বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ব্যবহার করছেন গুগলপ্লেস্টোরের বিভিন্ন অ্যাপ। প্রতিনিয়ত এসব অ্যাপ ডেভেলপ করছেন বিভিন্ন কোম্পানি ও ফ্রিল্যান্স ডেভেলপাররা। তারা প্লে স্টোরে অ্যাপ আপলোড করে কিভাবে আয় করেন তা নিয়ে অনেকের কৌতুহল।
ডেভেলপার হিসেবে যারা কাজ করতে আগ্রহী তারাও জানতে চান কিভাবে আয় আসে প্লে স্টোর থেকে।
এ ক্ষেত্রে ডেভেলপারদের আয়ের অনেক পন্থা হয়েছে। একটি মার্চেন্ট খোলার মাধ্যমে তারা নিজেদের অ্যাপ থেকে আয়করতে পারেন।
আরও পড়ুন : অ্যাপ থেকে আয় আসে যেভাবে
ফ্রি অ্যাপ মনেটাইজেশনব্যবহারকারীরা সবসময় ফ্রি অ্যাপ পেতে পছন্দ করেন। তাই প্লে স্টোর তাদের ফ্রি অ্যাপ দিয়ে তা মনেটাইজেশন করার সুযোগ দিয়েছে ইন অ্যাপ বিলিং ব্যবহারের মাধ্যমে। এ সুবিধা ব্যবহার করে ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করা যাবে।
ক) ডিউরেবল ( Durable ) – একবার কিনে ফেলার পর ওই ফিচার ব্যবহারকারীর কাছে সবসময় থাকবে। যেমন- অ্যাপের কোনো এডিশনাল ফিচার।

খ) কনজিউমেবল ( Consumable ) – কোনো আইটেম কেনার পর প্রোগ্রেসিভলি ব্যবহার করা যাবে কিংবা তা এক্সপায়ার হয়ে যাবে কিছু সময় পর। যেমন- কিনে নেওয়া কোনো গেম বুস্টার।
প্রিমিয়ামএ পদ্ধতিতে একজন ডেভেলপার ব্যবহারকারীর কাছে সম্পূর্ণ অ্যাপটি বিক্রি করতে পারবেন। ডাউনলোডের সময় ইউজারকে নির্দিষ্ট পরিমান পে করতে হবে। তারপর থাকছে ইন অ্যাপ বিলিং- যার মাধ্যমে অ্যাপের মধ্যে ফিচার, কনটেন্ট বিক্রি করার বিশেষ সুবিধা রয়েছে।
সাবস্ক্রিপশনসাবস্ক্রিপশন এমন একটি পদ্ধতি যার সাহায্যে ডেভেলপারের জন্য চলমান আয়ের একটি সুযোগ তৈরি হয়। সাবস্ক্রিপশন ব্যাপারটা অনেকটা উপরে বর্ণিত ডিজিটাল ফিচার বা কন্টেন্ট বিক্রির মতো।
তবে এ ক্ষেত্রে মাস কিংবা বার্ষিকভিত্তিতে পেমেন্ট নেওয়া যাবে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে। ডেভেলপার যদি অ্যাপে সাবস্ক্রিপশন ফিচার সেট করে থাকেন তাহলে পেমেন্ট ও চেকআউটের মতো বিষয়গুলো গুগল প্লে হ্যান্ডেল করে থাকে খুবই স্মার্টলি।

অ্যাডমব অ্যাডগুগলের আরেকটি সেবা হচ্ছে অ্যাডমব, যা মোবাইল অ্যাপ মনেটাইজেশনের জন্য দারুণ জনপ্রিয়। এ ক্ষেত্রে অ্যাপটি ফ্রি হলেও এর মধ্যে অ্যাডমবের বিভিন্ন সাইজের বিজ্ঞাপন থাকে।
ব্যবহারকারীরা এসব অ্যাপ দেখলে কিংবা ক্লিক করলে সেটির ভিত্তিতে অ্যাডমব ডেভেলপারকে পে করে থাকে। মাসে ১০০ ডলারের উপর আয় করলে গুগল থেকে পরের মাসে তা ডেভেলপারের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয় গুগল।
ই-কমার্সএ সেবা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ডেভেলপারদের জন্য। এটি অ্যান্ড্রয়েড পে-এর সাহায্যে বিভিন্ন পণ্য যেমন ঘড়ি, টিভি ইত্যাদি বিক্রির সুবিধা দিচ্ছে। ব্যবহারকারী ডেবিট কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কেনার সুযোগ পাবেন এ ফিচার ব্যবহার করে।
এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি ব্যবহারকারীদের কেনাকাটা অনেক সহজ করে দেয় ।খুব কম ডেটা ব্যবহার করে পণ্য কেনার অর্থ পরিশোধের সুযোগ করে দেয়। একইভাবে ডেভেলপারদেরও রাজস্ব আয়ের পথও মৃসন করেছে।
আরও পড়ুন
প্লেস্টোর থেকে ডেভেলপাররা আয় করেন যেভাবে
Reviewed by TIPS BANGLS
on
September 08, 2018
Rating:

No comments: